বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ০৫:৩৯ অপরাহ্ন

বসিলা শহীদ বুদ্ধিজীবী সেতুর বাতি আছে আলো নেই

একুশে নিউজ
  • প্রকাশিত সময় : ১৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ১:১৬
  • ১৮৪ এই সময়
  • শেয়ার করুন


রাজধানীর মোহম্মদপুরের বসিলা এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদীর ওপর নির্মিত শহীদ বুদ্ধিজীবী সেতুটিতে সড়ক বাতি থাকলেও বাতিগুলোতে নেই আলো। দীর্ঘদিন ধরে অকেজো হয়ে পড়ে আছে ওই সড়ক বাতি। এতে ওই সেতুর ওপর দিয়ে চলাচলকারী সব যানবাহন ও যাত্রীরা দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন। সেই সঙ্গে রাতে সেতুটিতে আলো না জ্বলায় নষ্ট হচ্ছে সেতুটির সৌন্দর্য।

এছাড়া বাতিগুলো সচল না থাকায় ওই সেতুর ওপর ছিনতাইকারীদের দৌরাত্ম্য, মাদকসেবীদের আড্ডাখানা এবং রাতের আঁধারে বাস ও ট্রাক থেকে পুলিশ পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজি করার অভিযোগও রয়েছে। তবে কেন এবং কি কারণে বাতিগুলো অকেজো হয়ে পড়ে আছে এ বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই সেখানকার বাস চালক, যাত্রী কিংবা বাসিন্দাদের কাছে। বাস, ট্রাক ও সিএনজিচালকরা বলছেন, একাধিকবার স্ব স্ব সমিতির মাধ্যমে কর্তৃপক্ষকে অভিযোগ দেয়ার পরও নেওয়া হয়নি কার্যকরী কোনো উদ্যোগ। এতে রাতে ঝুঁকি নিয়েই প্রতিনিয়ত যাতায়াত করতে হচ্ছে সেতুটিতে চলাচলকারী সব যানবাহন ও পথচারীকে।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে অকেজো হয়ে পড়ে আছে সব বাতি। গত বছরে গুটিকয় বাতি জ্বলতে দেখা গেলেও অদৃশ্য কারণে সেগুলো পুনরায় বন্ধ হয়ে যায়। তারপর আজ অবধি কেউ জ্বলতে দেখেননি ওই সড়ক বাতিগুলো। বাতিগুলো নষ্ট হওয়ার কারণে ওই সেতু দিয়ে রাত ১০টা কিংবা ১১টার পর চলাচল করতে সাবধানতা অবলম্বন করতে হয়। নয়তো ছিনতাইকারীর কবলে পড়তে হয়।


স্ট্যান্ডে বাতি থাকার পরও রহস্যজনক কারণে সেতুটির একটি বাতিও জ্বলে না। ছবি- একুশে নিউজ

ওই সেতুটিতে তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে অটো রিকশা (ব্যাটারী চালিত) চালান মো. আলি হোসেন। তিনি একুশে নিউজকে বলেন, দুই বছরের মতো হবে বাতিগুলো নষ্ট হয়েছে। রাতে ব্রিজে আলো না থাকায় হরহামেশা চুরির ঘটনাও ঘটছে। ৬-৭ মাস আগে কয়েকটা বাতি কিছু দিন জ্বলছিল। কিন্তু সপ্তাহ দুই পর আবারও বন্ধ হয়ে যায় বাতি।
বসিলার শহীদ বুদ্ধিজীবী সেতুটির প্রায় আধ কিলোমিটারজুড়ে ৩৬টি লাইটের স্ট্যান্ড স্থাপিত করা হলেও বর্তমানে আছে ৩০টি। বাকি ৬টি স্ট্যান্ড কে বা কারা কেটে নিয়ে গেছে। কয়েকটি স্ট্যান্ডে বাতিও রয়েছে। কিন্তু রহস্যজনক কারণে সেতুটির একটি বাতিও জ্বলে না। স্থানীয় যাতায়াতকারী এবং বাস ও ট্রাক চালকরা বলছেন, সেতুটিতে স্ট্যান্ডও আছে লাইটও আছে। কিন্তু আলো জ্বলছে না সঠিক তদারকির অভাবে। তারা বলছেন, কর্তৃপক্ষের হেয়ালিপনায় মাসের পর মাস এভাবে সেতুটি অন্ধকারে থাকলেও বাতিগুলো সচল করতে এখনও পর্যন্ত কোনো কার্যকরী উদ্যোগ নিতে দেখা যায়নি। যে কারণে সেতুটিতে রাতে সহাস্রাধিক বাস, ট্রাক ও সিএনজি অটোরিকশাসহ অন্যান্য যানবাহন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে।

শহীদ বুদ্ধিজীবী সেতুটিতে রাজধানীর গাবতলী, আমিন বাজার, সাভার, সদরঘাট, সায়েদাবাদ, যাত্রাবাড়ী, মতিঝিল, শাহবাগ, গুলিস্তান, মহাখালী, ফার্মগেট এবং রহিতপুর, শ্রীনগর, মাওয়া, আঁটিবাজার, কেরানীগঞ্জ ও কালাকান্দির যানবাহন চলাচল করে। এসব যানবাহন রাতে সেতুটি পার হতে গিয়ে সড়ক বাতির আলো না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়ে।

আবদুল্লাহপুর-বসিলা রুটে ওই সেতুটির ওপর দিয়ে ৬ মাস ধরে গাড়ি চালান পরিস্থান পরিবহনের চালক আকতার হোসেন। তিনি একুশে নিউজকে বলেন, কখনও কখনও গাড়ির লাইট হঠাৎ নষ্ট হয়ে যায়। তখন সড়কে আলো না থাকলে চরম বিভ্রান্তিতে পড়তে হয়। অনেক সময় হেঁটে সেতুটির ওপর দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। রাতে অন্ধকার থাকায় ছিনতাইয়ের আশঙ্কা থাকে। এছাড়া মাঝে মাঝে শোনা যায়, ভুয়া পুলিশ পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজি করার চেষ্টা করা হয়। এসব সমস্যা সমাধানের জন্য খুব শিগগির কর্তৃপক্ষের উচিত বাতিগুলো সচল করা।

এই বিভাগের আরো খবর

ব্রেকিং:

তীব্র গরমে পশ্চিমবঙ্গের চিড়িয়াখানায় প্রাণিদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা

স্বাধীনতা বিরোধী সব অপশক্তিকে প্রতিহত করব: কাদের

মুজিবনগর দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

বাসের সঙ্গে পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১৪ জনের প্রাণ গেল

‘মুজিবনগর দিবস’ বাঙালির ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় দিন

পশ্চিমবঙ্গের ৭ জায়গায় তাপমাত্রা ছাড়াল ৪০ ডিগ্রি

উপজেলা পরিষদ নির্বাচন: বিএনপি-জামায়াত নেতারাও ভোটের মাঠে

উড়িষ্যায় ফ্লাইওভার থেকে বাস পড়ে নিহত ৫

নতুন প্রেমের ইঙ্গিত মাহির

৬.৫ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল পাপুয়া নিউগিনি