মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০২৪, ০৮:১৩ পূর্বাহ্ন

সুবর্ণচরে গণধর্ষণের মূলহোতা গ্রেফতার

একুশে নিউজ
  • প্রকাশিত সময় : ৪ জানুয়ারি, ২০১৯, ২:৪১
  • ২১৫ এই সময়
  • শেয়ার করুন

নোয়াখালী সুবর্ণচর উপজেলায় স্বামী-সন্তানদের বেঁধে পারুল বেগম (৪০) নামের এক নারীকে গণধর্ষণের ঘটনার মূলহোতা রুহুল আমিন (৩৮) কে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

বৃহস্পতিবার  ভোর রাতে সদর উপজেলার নুরু পটোয়ারীহাট সংলগ্ন বেচু মহুরীর বাড়ী থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। রুহুল আমিন সুবর্ণচর উপজেলার চরজুবলী ইউনিয়নের মধ্যম বাগ্যা গ্রামের খুরশিদ আলমের ছেলে এবং ওই ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন গৃহবধূ পারুল বেগম এবং তার স্বামী সিরাজ মিয়া বলেন, রোববার উপজেলার চরজুবলী ১৪নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে সকাল ১১টার দিকে ভোট দিতে যান পারুল। পারুল সহকারি প্রিসাইডিং অফিসার ব্যালট পেপার নিয়ে গোপন কক্ষে ভোট দিতে গেলে নৌকার এজেন্ট রুহুল আমিন ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এসময় গৃহবধূ পারুল ব্যালট পেপারের ধানের শীষ প্রতীকে সীল মেরে ব্যালট বাক্সে ব্যালট পেপারটি ফেলে বেরিয়ে যাওয়ার সময় দেখে নেওয়ার হুমকি দেয় রুহুল আমিন।

পরে সোমবার গভীর রাতে রুহুল আমিনের নেতৃত্বে স্থানীয় সোহেল, হানিফ, স্বপন, চৌধুরী, বেচু, বাসু, আবুল, মোশারেফ ও ছালাউদ্দিন গৃহবধূর ঘরের দরজা ভেঙ্গে ঘরে ঢুকে সবাইকে অস্ত্রের মুখে দড়ি দিয়ে বেঁধে জিম্মি করে গৃহবধূকে প্রথমে গণধর্ষণ এবং পরে মারধর করে নির্যাতন চালায়।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর স্বামী সিরাজ মিয়া চরজব্বর থানায় অভিযোগ দায়ের করলে থানা পুলিশ ঘটনার মূলহোতা রুহুল আমিনকে বাদ দিয়ে ৯ জনকে আসামি করে মামলা রুজু করেন।

গণধর্ষষের ঘটনা তদন্তে বুধবার দুপুরে মানবাধিকার কমিশনের তিন সদস্যের একটি কমিটি নোয়াখালী আসেন। তারা নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ওই নারীর স্বাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন।

এসময় আইন ও সালিস কেন্দ্রের তিন সদস্যে অন্য একটি তদন্ত দল হাসপাতালে এবং ঘটনাস্থলে যায়। বিকেলে পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি গোলাম ফারুক ঘটনাস্থল পরির্দশন করেছেন।

পুলিশ সুপার মো. ইলিয়াছ শরীফ ঘটনার মূলহোতা রুহুল আমিনকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ভিকটিমের ভাষ্যমতে রুহুল আমিন ঘটনার সাথে জড়িত ছিলো এবং তার নেতৃত্বেই গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। তাই বৃহস্পতিবার রাতভর অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এরআগে বুধবার দুপুরে কুমিল্লার বরুরা উপজেলার মহেষপুরের একটি ইটভাটা থেকে মামলার প্রধান আসামী সোহেলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সে মধ্যম বাগ্যা গ্রামের মৃত ইসমাইলের ছেলে। মঙ্গলবার রাতে লক্ষীপুরের রামগতি উপজেলা থেকে মামলার তিন নম্বর আসামী স্বপনকে(৩৫) গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সে চরজুবলী ইউনিয়নের মধ্যম বাগ্যা গ্রামের মৃত আব্দুল মান্নানের ছেলে। গত সোমবার মামলার ছয় নম্বর আসামী বাসুকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এই বিভাগের আরো খবর

ব্রেকিং:

আফগানিস্তানে হামলা চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা পাকিস্তানের

১৭ জেলায় হতে পারে ৬০ কিমি বেগে ঝড়, সতর্ক সংকেত

সরকারি হাসপাতালগুলোতে আছে রাসেল’স ভাইপারের এন্টিভেনম

বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে, কোথাও কোথাও ভারি বর্ষণের শঙ্কা

শিক্ষকদের কর্মবিরতিতে অচল ৫৫ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়

স্ত্রীকে ফেসবুক থেকে দূরে রাখা নিষ্ঠুরতার শামিল

রূপগঞ্জে জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে বাড়ি ঘিরে রেখেছে এটিইউ

ধনী কর্মকর্তাদের সম্পদের উৎসের খোঁজ শুরু করছে দুদক

টি-২০ বিশ্বকাপে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সেরার পুরস্কার পেলেন যারা

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থীদের মানতে হবে যেসব বিশেষ নির্দেশনা