বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ০৬:০৬ অপরাহ্ন

শিরোপা জয় করেছে বসুন্ধরা

একুশে নিউজ
  • প্রকাশিত সময় : ২৭ ডিসেম্বর, ২০১৮, ৩:৪৫
  • ১৭৪ এই সময়
  • শেয়ার করুন

ফেডারেশন কাপের ব্যর্থতা ভুলে শেষ পর্যন্ত শিরোপা জয় করেছে বসুন্ধরা কিংস। বুধবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে ২-১ গোলে শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্রকে হারিয়ে প্রথম বারের মত শিরোপা জয় করেছে নবাগত এই ফুটবল পরাশক্তি।

কোটি টাকা ব্যয়ে গঠিত ক্লাবটিকে এর আগে ফেডারেশন কাপ ফুটবলের ফাইনালে ঢাকা আবাহনীর কাছে হেরে রানার্সআপ ট্রফি নিয়েই সন্তুস্ট থাকতে হয়েছিল। আজ ম্যাচের প্রথম ৯০ মিনিট ছিল ১-১ গোলে অমীমাংসীত। অতিরিক্ত সময়ে মতিন মিয়ার দারুণ এক গোলে শিরোপার স্বাদ পায় বসুন্ধরা।

ফাইনালের আগে দুই দলের পরিসংখ্যানে এগিয়ে ছিল বসুন্ধরাই। কারণ ফেডারেশন কাপের সেমি ফাইনালে শেখ রাসেলকে হারিয়েই ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছিল উইলিয়ান ব্রুজুইনের শিষ্যরা। তাছাড়া তারকা নির্ভর দলটিরই কথা ছিল আক্রমণাত্মক ফুটবলটা উপহার দেবার। কিন্তু সেই খেলাটা শুরু করে শেখ রাসেলই।

ম্যাচের ৮ম মিনিটে ডান প্রান্ত দিয়ে আরিফুল ইসলামের ডান পায়ের পাসে পোস্টের খুব কাছে ডিফেন্ডার খালেকুজামান বল পান। কিন্তু অল্পের জন্য লক্ষ্যভেদ করতে পারেননি তিনি। শুরুর দিকেই দু’টি কর্ণার আদায় করে নিয়ে যেখানে এগিয়ে যাবার সুযোগ সৃষ্টি করেছিলো শেখ রাসেল, সেখানে ১৭ মিনিটে উল্টো গোল হজম করে বসে তারা। বক্সের প্রায় ২৫ গজ দূর থেকে বাঁ পায়ের কোনাকোনি শটে বল জালে জড়িয়ে বসুন্ধরাকে এগিয়ে দেন ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার মার্কোস ভিনিসিয়াস (১-০)। এটি ছিল মৌসুমের সেরা গোলগুলোর একটি। আচমকা গোলে হতবাক হয়ে যান শেখ রাসেলের গোলরক্ষক আশরাফুল ইসলাম রানাও। বলের গতি বুঝতে পারেননি তিনি। প্রথম গোল পেয়ে আনন্দে মেতে উঠে বসুন্ধরা শিবির।

গোল হজমের পর ম্যাচে ফিরতে মরিয়া হয়ে উঠে শেখ রাসেল। ২৯ মিনিট সেই সুযোগও এসেছিল তাদের সামনে। কিন্তু তাদেরকে হতাশ করেন বসুন্ধরার গোলরক্ষক আনিসুর রহমান জিকু। বাঁ-প্রান্ত দিয়ে ব্রাজিলিয়ান তারকা রাফায়েল দা সিলভার ডান পায়ের কোনকোনি শট ঝাপিয়ে পড়ে কর্ণারের বিনিময়ে রক্ষা করেন তিনি। একের পর এক আক্রমণ করা শেখ রাসেল কেসি অবশেষে প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ের বসুন্ধরার জাল খুজে পায়। গোল করে লড়াইয়ে ফিরে আসে শেখ রাসেল। গোল করেন দলটির নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড রাফায়েল উদুইন। টপ অব দ্য বক্স থেকে জোড়ালো শটে জিকুকে পরাস্ত করে দলকে আনন্দে ভাসান এ বিদেশী (১-১)। চলতি এ আসরে এটা তার দ্বিতীয় গোল।

দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নেমে দু’দলই আক্রমণে গিয়েছিল। কিন্তু গোলের দেখা মেলেনি। ফলে ম্যাচের ভাগ্য গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। সাডেন ডেথে’র খেলায় জয় তুলে নেয় বসুন্ধরা। অতিরিক্ত সময়ের পাঁচ মিনিটেই এগিয়ে যায় তারা। প্রতিপক্ষের ফরোয়ার্ড বিপলু আহমেদের কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে বক্সের ভেতর থেকে কোনাকূণী শটে বল জালে জড়ান বদলী হিসেবে মাঠে নামা মতিন মিয়া (২-১)। ৬২ মিনিটে সাদ্দাম হোসেনের বদলী হিসেবে মাঠে নেমেছিলেন অর্ধকোটি টাকা পারিশ্রমিক পাওয়া এ ফুটবলার। স্বাধীনতা কাপে এটা তার দ্বিতীয় গোল। পিছিয়ে পড়া শেখ রাসেল আবারো চেষ্টা করেছিল ম্যাচে ফিরতে। কিন্তু বসুন্ধরার রক্ষণভাগ পেরুতে পারেনি। জমাট রক্ষণভাগের কারণেই শেষ পর্যন্ত জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে নবাগত বসুন্ধরা।

এই বিভাগের আরো খবর

ব্রেকিং:

তীব্র গরমে পশ্চিমবঙ্গের চিড়িয়াখানায় প্রাণিদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা

স্বাধীনতা বিরোধী সব অপশক্তিকে প্রতিহত করব: কাদের

মুজিবনগর দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

বাসের সঙ্গে পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১৪ জনের প্রাণ গেল

‘মুজিবনগর দিবস’ বাঙালির ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় দিন

পশ্চিমবঙ্গের ৭ জায়গায় তাপমাত্রা ছাড়াল ৪০ ডিগ্রি

উপজেলা পরিষদ নির্বাচন: বিএনপি-জামায়াত নেতারাও ভোটের মাঠে

উড়িষ্যায় ফ্লাইওভার থেকে বাস পড়ে নিহত ৫

নতুন প্রেমের ইঙ্গিত মাহির

৬.৫ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল পাপুয়া নিউগিনি