রবিবার, ২১ জুলাই ২০২৪, ০৩:৫৫ অপরাহ্ন

তারেককে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের সম্মুখীন করা হবে

একুশে নিউজ
  • প্রকাশিত সময় : ২৩ ডিসেম্বর, ২০১৮, ৩:১৪
  • ১৮৫ এই সময়
  • শেয়ার করুন

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংকল্প ব্যক্ত করে বলেছেন, বিভিন্ন মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান পলাতক তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের সম্মুখীন করা হবে। শনিবার বিকেলে সিলেট সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে আওয়ামী লীগ আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় ভাষণে এ কথা বলেন শেখ হাসিনা।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আল্লাহ যদি দিন দেয় ওই সাজাপ্রাপ্ত আসামি ধরে নিয়ে এসে বাংলাদেশে তার বিচারের রায় কার্যকর করব।’ তারেক রহমানকে জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস এবং দুর্নীতির মূল হোতা আখ্যায়িত করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এটা রাজনীতি নয়, লন্ডনে বসে বসে লাটাই ঘোরায়, যে একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামি। বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে তাকে আর খেলতে দেব না।’

এর আগে সকালে শেখ হাসিনা ওলি-আউলিয়াদের পুণ্যভূমি সিলেটে এসেই হজরত শাহজালাল (রহ.), হজরত শাহ পরান (রহ.) এবং হজরত গাজী বোরহান উদ্দিনের (রহ.)–এর মাজার জিয়ারত করেন এবং সেখানে কোরআন তিলাওয়াত, ফাতেহা পাঠ করেন এবং মোনাজাতে অংশ নেন।


শনিবার সকালে শেখ হাসিনা ওলি-আউলিয়াদের পুণ্যভূমি সিলেটে এসেই হজরত গাজী বোরহান উদ্দিনের (রহ.)–এর মাজার জিয়ারত করেন 

আদালত এ বছর ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলা করে আইভী রহমানসহ ২৪ জনকে হত্যা এবং ৫০০ মানুষকে আহত করার ঘটনার মূল হোতা হিসেবে তারেক রহমানকে অভিযুক্ত করে তাঁকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। এ ছাড়া হাইকোর্ট তাঁকে অপর একটি দুর্নীতির মামলায় ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন।

শনিবার সকালে শেখ হাসিনা ওলি-আউলিয়াদের পুণ্যভূমি সিলেটে এসেই হজরত শাহজালাল (রহ.), হজরত শাহ পরান (রহ.)–এর মাজার জিয়ারত করেন এবং সেখানে কোরআন তিলাওয়াত, ফাতেহা পাঠ করেন এবং মোনাজাতে অংশ নেন।  

২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা মামলার উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘সেই মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়েছে তারেক জিয়া। মানুষ খুন করার অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত, মানি লন্ডারিংয়ের জন্য সাজাপ্রাপ্ত, ১০ ট্রাক অস্ত্র চোরাকারবারের অভিযোগে সাজাপ্রাপ্ত আসামি আজকে ফেরারি হয়ে বিদেশের মাটিতে বসে দেশের ভেতরে ষড়যন্ত্র করছে।’

সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি লুৎফর রহমানের সভাপতিত্বে সমাবেশে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক ও আবদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমেদ হোসেন, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম ও মেজবাহ উদ্দিন সিরাজ, তথ্য এবং গবেষণা সম্পাদক আফজাল হোসেন, ত্রাণ ও কল্যাণ সম্পাদক সুজীত রায় নন্দী, আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফরুক চৌধুরী, সিলেট-১ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী এ কে আবদুল মোমেন অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন।

নির্বাচনে বিএনপি’র বিরুদ্ধে মনোনয়ন বাণিজ্যের অভিযোগ করে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, তারা এক একটি আসনে ৪ থেকে ৫ জন করে মনোনয়ন দিয়েছে। একেকটা সীট অকশনে দিয়েছে। যে যত টাকা দেবে সে মনোনয়ন পাবে। আর এই অকশনে দিতে গিয়ে আজকে তাদের ছেড়াবেড়া অবস্থা। আর কেউ তাদের বিশ্বাস করে না।

‘বিএনপি’র মনোনয়ন নিয়ে ছেড়াবেড়া অবস্থার প্রেক্ষিতে এনাম সাহেব (সাবেক রাষ্ট্রদূত এবং বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা এনাম আহমেদ চৌধুরী) আজকে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন, আমি তাঁকে স্বাগত জানাই।

প্রধানমন্ত্রী এনাম আহমেদ চৌধুরীর ভাষ্য উদ্ধৃত করে মনোনয়ন বাণিজ্যের উদাহরণ দিয়ে বলেন, ‘তিনি বলেছেন- এক একজনের কাছে টাকা চায়, দিতে না পারলে নমিনেশন নাই। দিতে পারলে নমিনেশন আছে। একজন যদি ১ কোটি দেয় তবে, আরেক জন ২ কোটি দেয়, একজন ২ কোটি দেয় তবে, আর একজন দেয় ৫ কোটি টাকা। কেউ যদি ৫ কোটির জায়গায় সাড়ে ৫ কোটি দেয় তাহলে পাঁচ কোটি বাদ, সাড়ে ৫ কোটি এস। এইভাবে তারা অকশন দিয়েছে।’ এটা কি ধরনের রাজনীতি- জনগণের কাছে প্রশ্ন করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি।

তিনি বলেন, বিএনপি- জামাত জোট বাঙালি জাতির মান সম্মান ভূলুন্ঠিত করেছিল। হত্যা, খুন, অগ্নি সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, দুর্নীতি- এটাই ছিল তাদের নীতি। রাতারাতি তারা আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়েছে।

তিনি বলেন, তারা বাংলাদেশকে বিশ্বে জঙ্গিবাদের দেশ, সন্ত্রাসের দেশ, দুর্নীতির দেশ হিসেবে বিশ্বে পরিচয় করিয়েছে। বাংলাদেশের মানুষের মান সম্মান, ইজ্জত সব শেষ করে দিয়েছিল। আর তাদের অপকর্ম জন্যই ২০০৬ সালে দেশে জরুরি অবস্থা আসে। বাংলাদেশের মানুষের সব অধিকার হারিয়ে যায়।

এরপর জনগণ বহু সংগ্রাম করে সেই গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করে এবং ২০০৮ সালে নৌকা মার্কায় জনগণ ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘২০০৯ সালে সরকার গঠনের পর থেকে বর্তমান ২০১৮ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ ধারাবাহিকভাবে সরকারে রয়েছে কিন্তু ২০১৪ সালে নির্বাচন ঠেকানোর নামে অগ্নিসন্ত্রাস করে জীবন্ত মানুষগুলোকে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে হত্যা করেছিল বিএনপি-জামাত জোট।

‘তারা মানুষ পোড়ানো, খুন করা, মানি লন্ডারিং, অস্ত্র চোরকারবারি, দুর্নীতি-এছাড়া আর কিছু জানে না। তার ওপর এতিমের অর্থ আত্মস্যাৎ করে তাদের নেত্রী খালেদা জিয়া এখন জেলে,’ -অভিযোগ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মামলা আওয়ামী লীগ সরকার নয় বরং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় তার আস্থাভাজন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব যাদেরকে তিনি (খালেদা জিয়া) নিয়ম-নীতি ভঙ্গ করে চাকরিতে পদোন্নতি দিয়েছিলেন, নিয়োগ দিয়েছিলেন, পদের দায়িত্বের জন্য নির্বাচিত করেছিলেন- (রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ফখরুদ্দিন এবং সেনাপ্রধান মঈনউদ্দিন) তারাই দায়ের করেছে। সেই মামলা ১০টি বছর আদালতে চলার পর আজকে খালেদা জিয়া জেলে।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘পদ্মা সেতু নিজেদের অর্থে নির্মাণের এই একটা সিদ্ধান্তই বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করে অনেক উচ্চ আসনে নিয়ে গেছে। সেই উচ্চ আসনটা ধরে রাখতে হবে।’

তিনি বলেন, এই বাংলাদেশ সারাবিশ্বে যে সম্মান অর্জন করেছে এই সম্মান নিয়ে এগিয়ে যাবে। বাংলাদেশের মানুষ আজকে বিদেশে গেলে সম্মান পায়। সেই সম্মান নষ্ট হতে দেওয়া যাবে না। সে জন্য আগামী নির্বাচনে তিনি নৌকা ভোট প্রদানের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘সিলেটবাসীর বাছে আমি আজকে আবার এসেছি। আমি নৌকা মার্কায় ভোট চাই, নৌকায় ভোট দিয়ে আমাদের প্রার্থীকে জয়যুক্ত করবেন।’

তিনি এসময় দেশের আর্থসমাজিক উন্নয়নের চিত্র তথা দারিদ্র্যের হার ৪০ থেকে ২১ ভাগে নামিয়ে আনা এবং প্রবৃদ্ধি ৭ দশমিক ৮৬ ভাগে উন্নীত করার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলেন, বাংলাদেশ আজকে বিশ্বে অর্থনৈতিকভাবে একটা মর্যাদা পেয়েছে।

বিএনপি আমলের ৬১ হাজার কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে আমরা ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকার বাজেট দিয়েছি এবং বাংলাদেশের মানুষের উন্নয়ন হচ্ছে, যে উন্নতির ছোঁয়া সিলেটেও লেগেছে।

তিনি সিলেটের উন্নয়র চিত্র তুলে ধরে বলেন, সিলেট বিভাগে আমরা বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল করে দিয়েছি ‘শ্রীহট্ট অর্থনৈতিক অঞ্চল’ নামে। যেখানে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ হবে। অনেক মানুষের কর্মসংস্থান হবে।

তিনি প্রবাসী বাংলাদেশীদের তাঁর সরকারের বাস্তবায়নাধীন সিলেটসহ সারাদেশে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে তাঁদের ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য বিশেষ সুযোগ সৃষ্টির কথাও উল্লেখ করেন।

তিনি এ সময় শুধু নৌকা নয় মহাজোটের প্রার্থীদেরকের ভোট দিয়ে বিজয়ী করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী সিলেট বিভাগের আওয়ামী লীগ এবং মহাজোটের সকল প্রার্থীর সঙ্গে জনগণের পরিচয় করিয়ে দেন।

পার্থীরা হচ্ছেন, সিলেট-১ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের সাবেক স্থায়ী প্রতিনিধি এবং অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতের ছোট ভাই নৌকার প্রার্থী একে আব্দুল মোমেন, সিলেট-২ আসনে মহাজোট প্রার্থী লাঙ্গল প্রতীকে মো. ইয়াহিয়া চৌধুরী, সিলেট-৩ আসনে নৌকার প্রার্থী মাহমুদুস সামাদ চৌধুরী, সিলেট-৪ আসনে ইমরান আহমেদ, সিলেট-৫ আসনে হাফিজ আহমেদ মজুমদার, সিলেট-৬ শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।

সুনামগঞ্জে- সুনামগঞ্জ-১ আসনে নৌকা মার্কায় ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতন, সুনামগঞ্জ-২ আসনে সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের স্ত্রী জয়া সেনগুপ্ত, সুনামগঞ্জ-৩ আসনে অর্থ প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, সুনামগঞ্জ-৪ মহাজোটের লাঙ্গল প্রতীকে প্রার্থী পীর ফজলুর রহমান মিজবাহ এবং সুনামগঞ্জ-৫ আসনে নৌকার প্রার্থী মহিবুর রহমান মানিক।

হবিগঞ্জে- হবিগঞ্জ-১ আসনে নৌকার প্রার্থী প্রবীন আওয়ামী লীগ নেতা ফরিদ গাজীর ছেলে শাহনেওয়াজ গাজী মিল্লাত, হবিগঞ্জ-২ আব্দুল মজিদ খান, হবিগঞ্জ-৩ অ্যাডভোকেট আবু জাহিদ এবং হবিগঞ্জ-৪ আসনে নৌকার প্রার্থী মাহবুব আলী।

মৌলভীবাজারে, মৌলভীবাজার-১ আসনে নৌকার প্রার্থী বিএনপি আমলে নির্যাতনের শিকার শাহাবুদ্দিন, মৌলভীবাজার-২ আসনে মহাজোট প্রার্থী (বিকল্প ধারা) এস এম শাহিন নৌকার প্রার্থী, মৌলভীবাজার-৩ আসনে নৌকার প্রার্থী নেসার আহমেদ এবং মৌলভীবাজার-৪ আসনে উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করছেন।

প্রধানমন্ত্রী হবিগঞ্জ-১ আসনের প্রার্থীকে পরিচয় করিয়ে দেয়ার সময় বলেন, এখানে একটি কথা না বললেই নয়, অত্যন্ত দুঃখের বিষয় এই হবিগঞ্জ-১ আসনে ধানের শীষ মার্কা নিয়ে যিনি দাঁড়িয়েছেন (রেজা কিবরিয়া) তার পিতার হত্যাকারী ঐ ধানের শীষ। যেখানে বিএনপি সাবেক অর্থমন্ত্রী কিবরিয়া সাহেবকে হত্যা করেছে সেখানে অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় তার ছেলে বিএনপি’র ধানের শীষ নিয়ে নির্বাচন করছে। এর থেকে লজ্জার আর কিছু নেই।

আওয়ামী লীগ সভাপতি তাঁর দলের এবং মহাজোটের প্রার্থীদের জনগণের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়ে যেসব এলাকায় তিনি যেতে পারেন নি সেসব অঞ্চলের জনগণের কাছেও এসব প্রার্থীদের জন্য তাঁর ভোট প্রত্যাশার আবেদনটি পৌঁছে দেয়ার জন্য সমাবেশে সমবেতদের আহ্বান জানান।

শেখ হাসিনা বলেন, আগামী ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচনে নৌকা মার্কায় ভোট চাই। কারণ, নৌকা মানেই উন্নয়ন। আর ধানের শীষ মার্কার মানে দুর্নীতি, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, অগ্নিসন্ত্রাস। কাজেই ওরা যেন আর ক্ষমতায় আসতে না পারে।

তিনি বলেন, আর স্বাধীনতা বিরোধী যুদ্ধাপরাধীদেরকে যারা মনোনয়ন দিয়েছে, যে যুদ্ধাপরাধীদেরকে বিচার করে আমরা শান্তি দিয়েছি। তাদেরকে আজকে তারা কাছে টেনে নিয়ে নির্বাচনে অংশীদার হয়েছে।

বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশবাসীকে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ‘এরা (বিএনপি-জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট) বাংলাদেশে ক্ষমতায় আসা মানে দেশকে ধ্বংস করা। এরা দেশের সকল অর্জন নস্যাৎ করে দেবে কারণ এরা স্বাধীনতাতেই বিশ্বাস করে না।

তিনি এ সময় নৌকায় ভোট প্রদানের প্রতিশ্রুতি প্রত্যাশা করলে উপস্থিত হাজার হাজার জনতা দু’হাত তুলে তীব্র কণ্ঠে সম্মতি জানায়।

তিনি সকলকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, ‘ইনশাল্লাহ নৌকার বিজয় হবে। এই নৌকা মার্কাই বাংলাাদেশকে উন্নত সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলবে।’

এই বিভাগের আরো খবর

ব্রেকিং:

আফগানিস্তানে হামলা চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা পাকিস্তানের

১৭ জেলায় হতে পারে ৬০ কিমি বেগে ঝড়, সতর্ক সংকেত

সরকারি হাসপাতালগুলোতে আছে রাসেল’স ভাইপারের এন্টিভেনম

বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে, কোথাও কোথাও ভারি বর্ষণের শঙ্কা

শিক্ষকদের কর্মবিরতিতে অচল ৫৫ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়

স্ত্রীকে ফেসবুক থেকে দূরে রাখা নিষ্ঠুরতার শামিল

রূপগঞ্জে জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে বাড়ি ঘিরে রেখেছে এটিইউ

ধনী কর্মকর্তাদের সম্পদের উৎসের খোঁজ শুরু করছে দুদক

টি-২০ বিশ্বকাপে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সেরার পুরস্কার পেলেন যারা

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থীদের মানতে হবে যেসব বিশেষ নির্দেশনা