আজ ২৩শে এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ শুক্রবার || ১০ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ


অমনোযোগের অসুখ কব্জা করতে কিছু কৌশল অবলম্বন করুন।

অফিস থেকে ফিরেই ছেলের স্কুলের ডায়েরি দেখে চোখ কপালে রিয়ার। প্রতি দিন বাড়ি ফিরে নিজের সব শখ-আহ্লাদ সরিয়ে ছেলেকে নিয়ে পড়াতে বসে নিয়মিত। তবু নতুন ক্লাসে ওঠার পর থেকেই ক্রমে মনোযাগ হারাচ্ছে ছেলে। যা যা বাড়িতে পড়ছে, পড়া ধরলে তার সব ঠিকঠাক উত্তর দিলেও স্কুলে পড়াশোনার পারফর্ম্যান্স ক্রমেই তলানিতে ঠেকছে। অগত্যা রোজ স্কুলের ডায়েরিতে শ্রেণি শিক্ষিকার অভিযোগ।

কথা বলেও কাজ হচ্ছে না ছেলের সঙ্গে। সেও বুঝতে পারছে না কেন ভুল হচ্ছে এত? অমনোযাগই কি এর জন্য শুধু দায়ী? না কি মনে রাখতে না পারাটাও একটা সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে?

অহনা একা নয়, এ সমস্যা আজকাল ঘরে ঘরে। আপনিও হয়তো সারা দিনের শেষে সন্তানের পড়াশোনার বিষয় নিয়ে ভাবতে বসলেই অমনযোগিতার কথাই হয়তো বার বার আপনার কপালের ভাঁজকে আরও চওড়া করছে। শাসন বা বার বার তিরস্কার কিন্তু এই অমনোযোগের অসুখকে কব্জা করতে পারে না। তার জন্য দরকার কিছু জরুরি কৌশল। দেখে নিন কোন কোন উপায়ে এই অমনোযাগিতাকে কব্জা করা সম্ভব।

  • সন্তান কিছুটা বড় না হওয়া পর্যন্ত পড়তে বসলে তার সামনে থাকুন। এমন একটা সময় তার পড়ার জন্য বরাদ্দ করুন, যাতে অফিস সামলে সেই সময়টা আপনিও বাড়িতে থাকেন। সামনে থাকলে ওর ভুলে যাওয়ার কারণ, কোথায় ঘাটতি সে সব বোঝা অনেক সহজ হবে।
  • শিশুর ক্ষেত্রে ছবি ও ব্লকের সাহায্য  নিন। পড়ার বিষয়টা ছবি এঁকে, প্রয়োজনে আলাদা আলাদা রং ব্যবহার করে বোঝান। পড়াশোনার ক্ষেত্রে ভিজ্যুয়াল কোনও দৃশ্যও খুব কাজে আসে। তাই ইতিহাস বা নাটক বোঝাতে বসলে সেই ঘটনার উপর নির্মাণ কোনও নাটক বা সিনেমার দৃশ্যও দেখাতে পারেন। এতে মনে থাকবে বেশি। তবে সাহিত্য নির্ভর হলে তবেই তা দেখাবেন। বইয়ের গল্প পরিবর্তন করা নাটক-সিনেমায় সে সময় আস্থা রাখবেন না।
  • সন্তান যা পড়ছে, সেটা আপনাকে পাল্টা বোঝাতে বলুন। এটা করতে সক্ষম হলে বুঝবেন, পড়া বুঝতে বা মনে রাখতে তার আর সমস্যা হবে না।​
  • পড়া বুঝে লিখে ফেলতে বলুন এক বার। লিখে ফেললে সহজেই মনে রাখতে পারবে তা।
  • ইতিহাস বা সাহিত্যকে গল্পের ছলে বুঝিয়ে বলুন সন্তানকে। মনে রাখা যায় এমন কিছু কৌশল আছে। যেমন, কোনও কোনও সাল-তারিখ বা বানান, রসায়নের পর্যায় সারণী— এ সব মনে রাখার সহজ কিছু কৌশলগত ফর্মুলা আছে। নেট থেকেও সে সব জানা যায়। নিজে তা এক জায়গায় করে সন্তানকে বুঝিয়ে দিলে তো ভালই, একান্ত তা না পারলে অন্য কারও সাহায্য নিন বা ওকেই বলুন নেট ঘেঁটে সে সব জোগাড় করে নিতে।
  • শিশু একাগ্র না হলে তাকে একটানা পড়াবেন না। সন্তানের ওতেই মনঃসংযোগের ঘাটতি দেখা যায়। বরং পড়ার মাঝে মাঝে ওর পছন্দের কিছু করতে দিন। এতে আনন্দ পাবে, মন ভাল রেখে পড়লে মনে রাখতেও পারবে সহজে।

প্রিয় পাঠক, আপনিও দৈনিক একুশে নিউজ অনলাইনের অংশ হয়ে উঠুন। লাইফস্টাইল বিষয়ক ফ্যাশন, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, নারী, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, এখন আমি কী করব, খাবার, রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন- ekushe24news@gmail.com এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।

সবাই খুব ভালো থাকুন,সুস্থ ও নিরাপদ থাকুন। আর সবসময় আমাদের সাথেই থাকুন। কারন আপনাদেরকে নিয়ে আমরা যেতে চাই আরও বহুদুর!! ধন্যবাদ।

মতামত লিখুনঃ



আরও পড়ুন

জাতীয় অর্থনীতিতে নারীর অবদান সবচেয়ে বেশি, পলক

আন্তর্জাতিক অভিবাসন নিরাপদ ও মানবিক হতে হবে, মন্নুজান সুফিয়ান

অপরাধ দমনে পুলিশ কার্যকর ভূমিকা রাখছে,গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী

খেলাধুলার উন্নয়নে তৃণমূল থেকে আরো বেশি মেধা খুঁজে বের করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

রাজনীতি কেনাবেচার পণ্য নয়, কাদের

অর্থনীতি আয়কর মেলা : প্রথম দিনে আয় ২১৮ কোটি টাকা

আ’লীগের মনোনয়ন পেলেন যে তারকারা, যারা অপেক্ষায়

গত ৬ ডিসেম্বর কবি নজরুল কলেজের ছাত্রী নিখোঁজ

ঢাকা উত্তরের ৩৩ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী আসিফ নির্বাচনি প্রচারনা শুরু

কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের বিকল্প নেই, কৃষিমন্ত্রী

© ২০১৮-২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | একুশেনিউজ২৪