আজ ৮ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ শনিবার || ২৫শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ


আজ সোমবার বিকেলে করোনাভাইরাস নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানও হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় আরও ৬৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১১ হাজার ৬৪৪ জনে। একই সময়ে নতুন করে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন এক হাজার ৭৩৯ জন। এ নিয়ে দেশে মোট শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়াল সাত লাখ ৬৩ হাজার ৬৮২ জন।

আজ প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে মোট ১৯ হাজার ৪৩১ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ৮.৯৫ শতাংশ।

এ পর্যন্ত দেশে মোট ৭ লাখ ৬৩ হাজার ৬৮২ জনের করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। তাঁদের মধ্যে মারা গেছেন ১১ হাজার ৬৪৪ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ৬ লাখ ৯১ হাজার ১৬২ জন। গতকাল রবিবার করোনায় ৬৯ জনের মৃত্যু হয়ে ছিল এবং ১ হাজার ৩৫৯ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়ে ছিল।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা শনাক্তের কথা জানায় সরকার। গত বছরের মে মাসের মাঝামাঝি থেকে সংক্রমণ বাড়তে শুরু করে। আগস্টের তৃতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত শনাক্তের হার ২০ শতাংশের ওপরে ছিল। এরপর থেকে শনাক্তের হার কমতে শুরু করে। আজ ৩ মে পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৬ লাখ ৯১ হাজার ১৬২ জন। গত বছরের ডিসেম্বরে চীনে করোনাভাইরাসের উপদ্রব শুরু হয়। এটি বর্তমানে বিশ্বের ২১৩ দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। গত বছর ১১ মার্চ কোভিড ১৯-কে বৈশ্বিক মহামারী ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

গত জুন থেকে আগস্ট এই তিন মাস করোনার সংক্রমণ ছিল তীব্র । মাঝে নভেম্বর-ডিসেম্বরে কিছুটা বাড়লেও বাকি সময় সংক্রমণ নিম্নমুখী ছিল। এ বছরের মার্চে শুরু হয়েছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। প্রথম ঢেউয়ের চেয়ে এবার সংক্রমণ বেশি তীব্র। মধ্যে কয়েক মাস ধরে শনাক্তের চেয়ে সুস্থ বেশি হওয়ায় দেশে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা কমে আসছিল। কিন্তু মার্চ থেকে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যাও আবার বাড়তে শুরু করেছে।

কোনো দেশে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আছে কি না, তা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ঠিক করা কিছু নির্দেশক থেকে বোঝা যায়। তার একটি হলো রোগী শনাক্তের হার। টানা দুই সপ্তাহের বেশি রোগী শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলে ধরা যায়। এ বছর ফেব্রুয়ারির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত শনাক্তের হার ৩ শতাংশের নিচে ছিল। দুই মাস পর গত ১০ মার্চ দৈনিক শনাক্ত আবার হাজার ছাড়ায়। এরপর দৈনিক শনাক্ত বাড়ছেই।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাচ্ছে। সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় গত ২৯ মার্চ বেশ কিছু বিধিনিষেধসহ ১৮ দফা নির্দেশনা জারি করে সরকার। এর মধ্যে ঘরের বাইরে গেলে মাস্কের ব্যবহার অন্যতম। কিন্তু সংক্রমণ আশঙ্কাজনক ভাবে বাড়তে থাকলেও জনগণের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে এখনো উদাসীনতা দেখা যাচ্ছে। জনস্বাস্থ্যবিদেরা বলছেন, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করতে হলে মাস্ক পরাসহ স্বাস্থ্যবিধি মানার বিকল্প নেই।

ekushe-news24 health– জনস্বাস্থ্যবিদেরা বলছেন, টিকা আসার আগপর্যন্ত নতুন এই ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধের মূল উপায় হলো স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা। মাস্ক পরা, কিছু সময় পরপর সাবান-পানি দিয়ে হাত ধোয়া, জনসমাগম এড়িয়ে চলা এবং সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা। কিন্তু এই স্বাস্থ্যবিধি গুলো মেনে চলার ক্ষেত্রে ঢিলেঢালা ভাব দেখা যাচ্ছে। এতে সংক্রমণ আবার বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে। ঘর থেকে বের হবার সময় অবশ্যই মাস্ক পরুন। রাস্তায় মাস্ক ছাড়া বের হলেই জরিমানা।

যেভাবে নিবন্ধন করোনার টিকা নিতে আগ্রহীদের নিবন্ধন করতে হবে ‘সুরক্ষা’ নামক ওয়েব পোর্টালে (www.surokkha.gov.bd)। অ্যান্ড্রয়েড বা অ্যাপল প্লে স্টোর থেকেও সুরক্ষা মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করেও করা যাবে নিবন্ধন।

মতামত লিখুনঃ



আরও পড়ুন

জাতীয় অর্থনীতিতে নারীর অবদান সবচেয়ে বেশি, পলক

আন্তর্জাতিক অভিবাসন নিরাপদ ও মানবিক হতে হবে, মন্নুজান সুফিয়ান

অপরাধ দমনে পুলিশ কার্যকর ভূমিকা রাখছে,গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী

খেলাধুলার উন্নয়নে তৃণমূল থেকে আরো বেশি মেধা খুঁজে বের করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

রাজনীতি কেনাবেচার পণ্য নয়, কাদের

অর্থনীতি আয়কর মেলা : প্রথম দিনে আয় ২১৮ কোটি টাকা

আ’লীগের মনোনয়ন পেলেন যে তারকারা, যারা অপেক্ষায়

গত ৬ ডিসেম্বর কবি নজরুল কলেজের ছাত্রী নিখোঁজ

ঢাকা উত্তরের ৩৩ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী আসিফ নির্বাচনি প্রচারনা শুরু

কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের বিকল্প নেই, কৃষিমন্ত্রী

© ২০১৮-২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | একুশেনিউজ২৪